
টার্গেট অনুযায়ী কৃষক রমজানের শুরুতে রসালো ফল তরমুজ বাজার আনতে ব্যস্থ সময় পার করছেন ভোলার চরফ্যাশন তরমুজ চাষীরা। বাজার কিংবা আত্মীয় স্বজনদের বাড়িতে আসতে শুরু করেছেন রসালো ফল তরমুজ। আবহাওয়া অনুকূলে থাকা খেতভরা তরমুজের বাম্পার ফলন দেখে কৃষকের মুখে হাসি ফুটছে।
আহাম্মদপুর ইউনিয়নের তরমুজ চাষী আলাউদ্দিন বলেন, আমি সাড়ে ৪ একর জমি এবছর তরমুজ চাষ করেছি। তবে রমজান রোজাকে টার্গেট করে চারা রোপন করেছি। ওই হিসাব অনুযায়ী রমজানের শুরুত্বে আমার খেতে তরমুজ পাকছে। রোপনের ৮০/ ১০০দিনের মধ্যে ফলন পাকবে। আমার বপন থেকে গতকাল শনিবার পর্যন্ত ১২০/১৩০দিন হয়েছে। খরচ হয়েছে ৩ থেকে সাড়ে ৩লাখ টাকা। যদি আবহাওয়া অনুকূলে থাকে আশাকরি বিক্রি হবে ১০/১১লাখ টাকা। রমজানের শুরুত্বে প্রায় ১লাখ টাকার তরমুজ বিক্রি করে ফেলছি। ঈদের পূর্বে পুরোখেতের তরমুজ পেকে যাবে।
নুরাবাদ কৃষক সালাম বলে, প্রায় ৩লাখ টাকা ব্যয় করে তরমুজ চাষ করেছি। বিক্রি নামবে ৮/৯লাখ টাকা। ফলনের সাইজ ১৫/১৬ কেজি।
ক্রেতা রহিম বলেন, শুরুত্বে ন্যায্য দামে তরমুজ ক্রয় করতে পেরেছি। আশা করি এরপর আর কমদামে কিনতে পারব।
নুরাবাদ উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা কামরুজ্জামান স্বপন বলেন, সুপার ও গ্রেড ওয়ানসহ বিভিন্ন হাইব্রিড জাতের বীজ বপন করে অল্প সময়ের মধ্যে তরমুজ গ্রেড হয়েছে। যার ফলে তারা ভালদাম পেতে শুরু করেছে।
চরফ্যাশন উপজেলা কৃষি অফিসার নাজমুল হুদা বলেন, ভোলার জেলার মধ্যে তরমুজ চাষের জন্য উপযোগি জায়গা হলো চরফ্যাশনের চরাঞ্চলগুলোতে। এই উপজেলা লক্ষমাত্র ছিল ১০হাজার ৪০ হেক্টর। লক্ষমাত্র ছাড়িয়ে ১০হাজার ৭৮০ হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছে। উপসহকারীদের সার্বিক তদারকিতে বাম্পার ফলন হয়েছে।