০৩:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২০ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

প্রকাশিত সংবাদের বিরুদ্ধে  প্রতিবাদ 

আমি মোহাম্মদ সিরাজ আল মাসুদ (৪৫), পিতা মৃত- সিরাজুল ইসলাম, গ্রাম শালিয়ারা, ডাকঘর সলিল আড়রা, থানা নাগরপুর,জেলা টাঙ্গাইল। পেশা গণমাধ্যমকর্মী (স্টাফ রিপোর্টার, দৈনিক বাংলা ৭১, টাঙ্গাইল জেলা )।
 সোমবার (১৭ মার্চ) আমার ও আমার পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত  নাগরপুর প্রেসক্লাবে একটি সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনের পর
বিভিন্ন অনলাইন পোর্টাল ও দৈনিকে প্রকাশিত ‘মেয়ের বিরুদ্ধে মায়ের সংবাদ সম্মেলন; নাগরপুরে অবৈধ সম্পত্তি দখলে ব্যর্থ হয়ে ডাকাতির নাটক, জন মনে ক্ষোভ নিন্দা’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। বিষয়টি আমি এবং আমার পরিবার জ্ঞাত হয়ে এমন মিথ্যা সংবাদ সম্মেলনের তিব্র নিন্দা জানাই। সংবাদ সম্মেলনে  মোসাঃ কোহিনূর বেগমের পক্ষে লিখিত বক্তব্য  পাঠ করেন এস এম তারেক মাহমুদ। লিখিত বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন,
“আনুমানিক গত ২০১৪ সন হতে পৈতিক সম্পত্তিতে বসবাস করে আসছেন। বসবাস করা কালীন সময়ে আমার বড় ছেলে মরহুম কবির আহাম্মেদের দোকান দখল করে জাহানারা আক্তারের বড় ছেলে সিরাজ আল মাসুদকে ব্যবসায় বসানোর চেষ্টা করলে আমি ও আমার অন্য ছেলেরা মিলে তাকে পারবারিক ভাবে বাধাঁ প্রদান করি।”
আমাদের বক্তব্যঃ
তাদের এ বক্তব্যটি বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। সংবাদ সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী গণের মধ্যে  এস এম তারেক মাহমুদ দোকান ভাড়া দলিলের ১ নং স্বাক্ষী।কোহিনূর বেগমের  বড় ছেলে মরহুম কবির আহম্মেদ  তার ছেলে এস এম তারেক মাহমুদ ও তার মেয়ে নূরজাহান আক্তারের সম্মুখে দোকান ভাড়ার দলিলটি পড়িয়া ও বুঝিয়া সমূদয় টাকা বুঝিয়া নিয়া আমার কাছে মাসিক ভাড়া হিসেবে চুক্তি নামায় স্বাক্ষর করেন। তথ্যের প্রয়োজনে দোকান ভাড়ার দলির ও ভিডিও ফুটেজ সংযুক্ত করা হলো।
লিখিত বক্তব্যে আরো উল্লেখ করেন,
“জাহানারা আক্তার আমার নিজ নামে পুকুরের চালায় রেকর্ড কৃত জমি আমার নিকট হইতে লিখে নেওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করে ব্যর্থ হইয়া জাল কাগজ করে দখলে যাওয়ার চেষ্টা চালায়। “
আমাদের বক্তব্যঃ
উপরোক্ত বিষয়ে গণমাধ্যমের মাধ্যমে জানাতে চাই,  পুকুরের পাড়ে ৮ শতাংশ জমি আর্থিক সমস্যার কারনে মোসাঃ কোহিনূর বেগম তার বড় মেয়ে শিরিন বেগম ও মেঝ মেয়ে জাহানারা আক্তার কাছে সাফ কওলা দলিল মূলে বিক্রি করেন, যার দলিল আমাদের কাছে আছে।  প্রয়োজনে গণমাধ্যমকে দলিলের ফটোকপি প্রেরণ ও মূলকপি প্রদর্শনের জন্য প্রস্তুত আছি ।
লিখিত বক্তব্যে আরো উল্লেখ করেন, গত ২৭-০২-২০২৫ ইং তারিখ সময় আনুমানিক সন্ধা ০৬-১৫ মিনিটের দিকে আমার বড় ছেলের সন্তান এসএম মহিউদ্দিন মাহমুদ (মহন) নিজ বাড়ির দক্ষিন পাশে নাগরপুর গরু হাটের মাঠে ক্রিকেট খেলে তিন চার জন বন্ধুবান্ধব নিয়ে বসে বিশ্রাম করা কালীন সময়ে জাহানারা আক্তার ও তার ছোট ছেলে জাহিদ হাসান অবৈধ আধিপত্য বিস্তারে পারিবারিক শত্রুতার জের ধরে তাহাদের উঠে যেতে বলে । তখন এস এম মহিউদ্দিন মাহমুদ (মহন) মাঠ থেকে চলে না যাওয়ায় জাহানারা আক্তার ও তার ছোট ছেলে জাহিদ হাসান মহিউদ্দিন মাহমুদকে জানে মারার হুমকি প্রদান করলে তাদের মধ্যে মারামারীর ঘটনা ঘটে।
আমাদের বক্তব্যঃ
এস এম মহিউদ্দিন মাহমুদ (মহন)  একজন ছিনতাইকারী, মাদকাসক্ত, মাদক কারবারি, চুরি -ডাকাতি করাই তার একমাত্র পেশা। বিগত ২০২১ সালের ১ এপ্রিল ৩৭৯/৪১১ পেনাল কোড-১৮৬০
২০২২ সালের ২৬ অক্টোবর ১৪৩/৩৪১/৩২৩/৩০৭/৩৭৯/৫০৬ পেনাল কোড-১৮৬০,
২০২৩ সালে ১১ জানুয়ারী ১৪৩/৪৪৮/৩২৩/৩২৬/৩০৭/৫০৬(২) পেনাল কোড-১৮৬০
অপহরণ, ছিনতাই, হত্যার উদ্দেশ্যে আঘাতসহ বিভিন্ন ধারায় নাগরপুর থানায় একাধিক মামলা রজ্জু আছে। যার বাদী বা স্বাক্ষী আমি বা আমার পরিবারের কেউ না। তার বিভিন্ন অপরাধের কারনে বিভিন্ন সময়ে নাগরপুর থানায় একাধিক অভিযোগ ও মামলা রজ্জু হয়েছে। তাকে থানা পুলিশ বেশ কয়েকবার গ্রেপ্তার করে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করেছেন। এস এম মহিউদ্দিন মাহমুদ (মহন) পূর্ব থেকে সশস্ত্র ডাকাত বাহিনী নিয়ে ডাকাতি করার মানসিকতায় অপেক্ষা করতে ছিলো।অন্ধকার হয়ে গেলে  সুযোগ বুঝে  সে ডাকাতদলের ১০/১২ জন সদস্য নিয়ে মটরসাইকেল নেয়ার চেষ্টা করে। মোটর সাইকেলের চাবি না পেয়ে
দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগদ ২ লক্ষ টাকা ও স্বর্ণাংকার লুট করে। এ সময় আমার ছোট ভাই ও মা বাঁধা দিলে তাদের উপর আক্রমণ করে। যার প্রমাণ নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডায়েরিতে লিপিবদ্ধ আছে।
পরিশেষে উদ্দেশ্যে প্রণোদিত, মিথ্যা, বানোয়াট ও মনগড়া  এ সংবাদ সম্মেলনের তীব্র নিন্দা জানাই।  আরো অধিক তদন্ত ও তথ্যবহুল সংবাদ পরিবেশনের জন্য গণমাধ্যমকে বিনয়ের সাথে আহ্বান করছি।
Tag :

ভোলার চরফ্যাশন ডাক্তার ও মেডিকেল স্টুডেন্টদের ফ্রি ব্লাডগ্রুপিং ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

x

প্রকাশিত সংবাদের বিরুদ্ধে  প্রতিবাদ 

প্রকাশ : ০২:৪৫:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ মার্চ ২০২৫
আমি মোহাম্মদ সিরাজ আল মাসুদ (৪৫), পিতা মৃত- সিরাজুল ইসলাম, গ্রাম শালিয়ারা, ডাকঘর সলিল আড়রা, থানা নাগরপুর,জেলা টাঙ্গাইল। পেশা গণমাধ্যমকর্মী (স্টাফ রিপোর্টার, দৈনিক বাংলা ৭১, টাঙ্গাইল জেলা )।
 সোমবার (১৭ মার্চ) আমার ও আমার পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত  নাগরপুর প্রেসক্লাবে একটি সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনের পর
বিভিন্ন অনলাইন পোর্টাল ও দৈনিকে প্রকাশিত ‘মেয়ের বিরুদ্ধে মায়ের সংবাদ সম্মেলন; নাগরপুরে অবৈধ সম্পত্তি দখলে ব্যর্থ হয়ে ডাকাতির নাটক, জন মনে ক্ষোভ নিন্দা’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। বিষয়টি আমি এবং আমার পরিবার জ্ঞাত হয়ে এমন মিথ্যা সংবাদ সম্মেলনের তিব্র নিন্দা জানাই। সংবাদ সম্মেলনে  মোসাঃ কোহিনূর বেগমের পক্ষে লিখিত বক্তব্য  পাঠ করেন এস এম তারেক মাহমুদ। লিখিত বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন,
“আনুমানিক গত ২০১৪ সন হতে পৈতিক সম্পত্তিতে বসবাস করে আসছেন। বসবাস করা কালীন সময়ে আমার বড় ছেলে মরহুম কবির আহাম্মেদের দোকান দখল করে জাহানারা আক্তারের বড় ছেলে সিরাজ আল মাসুদকে ব্যবসায় বসানোর চেষ্টা করলে আমি ও আমার অন্য ছেলেরা মিলে তাকে পারবারিক ভাবে বাধাঁ প্রদান করি।”
আমাদের বক্তব্যঃ
তাদের এ বক্তব্যটি বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। সংবাদ সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী গণের মধ্যে  এস এম তারেক মাহমুদ দোকান ভাড়া দলিলের ১ নং স্বাক্ষী।কোহিনূর বেগমের  বড় ছেলে মরহুম কবির আহম্মেদ  তার ছেলে এস এম তারেক মাহমুদ ও তার মেয়ে নূরজাহান আক্তারের সম্মুখে দোকান ভাড়ার দলিলটি পড়িয়া ও বুঝিয়া সমূদয় টাকা বুঝিয়া নিয়া আমার কাছে মাসিক ভাড়া হিসেবে চুক্তি নামায় স্বাক্ষর করেন। তথ্যের প্রয়োজনে দোকান ভাড়ার দলির ও ভিডিও ফুটেজ সংযুক্ত করা হলো।
লিখিত বক্তব্যে আরো উল্লেখ করেন,
“জাহানারা আক্তার আমার নিজ নামে পুকুরের চালায় রেকর্ড কৃত জমি আমার নিকট হইতে লিখে নেওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করে ব্যর্থ হইয়া জাল কাগজ করে দখলে যাওয়ার চেষ্টা চালায়। “
আমাদের বক্তব্যঃ
উপরোক্ত বিষয়ে গণমাধ্যমের মাধ্যমে জানাতে চাই,  পুকুরের পাড়ে ৮ শতাংশ জমি আর্থিক সমস্যার কারনে মোসাঃ কোহিনূর বেগম তার বড় মেয়ে শিরিন বেগম ও মেঝ মেয়ে জাহানারা আক্তার কাছে সাফ কওলা দলিল মূলে বিক্রি করেন, যার দলিল আমাদের কাছে আছে।  প্রয়োজনে গণমাধ্যমকে দলিলের ফটোকপি প্রেরণ ও মূলকপি প্রদর্শনের জন্য প্রস্তুত আছি ।
লিখিত বক্তব্যে আরো উল্লেখ করেন, গত ২৭-০২-২০২৫ ইং তারিখ সময় আনুমানিক সন্ধা ০৬-১৫ মিনিটের দিকে আমার বড় ছেলের সন্তান এসএম মহিউদ্দিন মাহমুদ (মহন) নিজ বাড়ির দক্ষিন পাশে নাগরপুর গরু হাটের মাঠে ক্রিকেট খেলে তিন চার জন বন্ধুবান্ধব নিয়ে বসে বিশ্রাম করা কালীন সময়ে জাহানারা আক্তার ও তার ছোট ছেলে জাহিদ হাসান অবৈধ আধিপত্য বিস্তারে পারিবারিক শত্রুতার জের ধরে তাহাদের উঠে যেতে বলে । তখন এস এম মহিউদ্দিন মাহমুদ (মহন) মাঠ থেকে চলে না যাওয়ায় জাহানারা আক্তার ও তার ছোট ছেলে জাহিদ হাসান মহিউদ্দিন মাহমুদকে জানে মারার হুমকি প্রদান করলে তাদের মধ্যে মারামারীর ঘটনা ঘটে।
আমাদের বক্তব্যঃ
এস এম মহিউদ্দিন মাহমুদ (মহন)  একজন ছিনতাইকারী, মাদকাসক্ত, মাদক কারবারি, চুরি -ডাকাতি করাই তার একমাত্র পেশা। বিগত ২০২১ সালের ১ এপ্রিল ৩৭৯/৪১১ পেনাল কোড-১৮৬০
২০২২ সালের ২৬ অক্টোবর ১৪৩/৩৪১/৩২৩/৩০৭/৩৭৯/৫০৬ পেনাল কোড-১৮৬০,
২০২৩ সালে ১১ জানুয়ারী ১৪৩/৪৪৮/৩২৩/৩২৬/৩০৭/৫০৬(২) পেনাল কোড-১৮৬০
অপহরণ, ছিনতাই, হত্যার উদ্দেশ্যে আঘাতসহ বিভিন্ন ধারায় নাগরপুর থানায় একাধিক মামলা রজ্জু আছে। যার বাদী বা স্বাক্ষী আমি বা আমার পরিবারের কেউ না। তার বিভিন্ন অপরাধের কারনে বিভিন্ন সময়ে নাগরপুর থানায় একাধিক অভিযোগ ও মামলা রজ্জু হয়েছে। তাকে থানা পুলিশ বেশ কয়েকবার গ্রেপ্তার করে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করেছেন। এস এম মহিউদ্দিন মাহমুদ (মহন) পূর্ব থেকে সশস্ত্র ডাকাত বাহিনী নিয়ে ডাকাতি করার মানসিকতায় অপেক্ষা করতে ছিলো।অন্ধকার হয়ে গেলে  সুযোগ বুঝে  সে ডাকাতদলের ১০/১২ জন সদস্য নিয়ে মটরসাইকেল নেয়ার চেষ্টা করে। মোটর সাইকেলের চাবি না পেয়ে
দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগদ ২ লক্ষ টাকা ও স্বর্ণাংকার লুট করে। এ সময় আমার ছোট ভাই ও মা বাঁধা দিলে তাদের উপর আক্রমণ করে। যার প্রমাণ নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডায়েরিতে লিপিবদ্ধ আছে।
পরিশেষে উদ্দেশ্যে প্রণোদিত, মিথ্যা, বানোয়াট ও মনগড়া  এ সংবাদ সম্মেলনের তীব্র নিন্দা জানাই।  আরো অধিক তদন্ত ও তথ্যবহুল সংবাদ পরিবেশনের জন্য গণমাধ্যমকে বিনয়ের সাথে আহ্বান করছি।